সময়:
শিরোনাম :
বাংলা নববর্ষে মানবিকতার আহ্বান—কুষ্টিয়ায় এসকে টেলিভিশনের বর্ণাঢ্য আয়োজন কুষ্টিয়ায় ইক্ষু রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, সুগার মিল চালুর দাবিতে নতুন আশার সঞ্চার মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার ৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে
ad728

কুমারখালীতে জনভোগান্তির প্রতীক—কালী গঙ্গার উপর অপরিকল্পিত সেতু

রিপোর্টারের নাম: sktvbd
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Apr 18, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: কুমারখালীতে জনভোগান্তির প্রতীক—কালী গঙ্গার উপর অপরিকল্পিত সেতু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: মো. মুনজুরুল ইসলাম
কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলা-এর বাগুলাট ইউনিয়নে কালী গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু আজ জনভোগান্তির এক মর্মান্তিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত এই সেতুটি এলাকাবাসীর স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগ এখন সর্বত্র।
স্থানীয়দের দাবি, সেতুটি নির্মাণের সময় নদীর প্রকৃত বিস্তৃতি ও প্রবাহের বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়। ফলে ছোট পরিসরে নির্মিত এই সেতু আজ কার্যত অচল। প্রতিদিন হাজারো মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে—কৃষিপণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত কিংবা জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ—সব ক্ষেত্রেই বাধার সৃষ্টি করছে এই সেতু।
জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস-এর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই সেতুটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন পরিকল্পনার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায়, “সরকারের অর্থ ব্যয় হয়েছে, কিন্তু জনগণের কোনো উপকারে আসেনি—এ যেন অপচয়ের এক দৃষ্টান্ত।”
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ এবং স্থানীয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আশ্বাসের পর আশ্বাস মিললেও বাস্তবে সেতুটির কোনো উন্নয়ন হয়নি, যা জনমনে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—এত গুরুত্বপূর্ণ একটি নদীর ওপর কেন এমন অপরিকল্পিত ও অপ্রতুল সেতু নির্মাণ করা হলো? এটি কি শুধুই অবহেলা, নাকি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কোনো বড় ধরনের গলদ—এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত একটি আধুনিক, কার্যকর ও উপযোগী সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের সোজাসাপ্টা কথা—“প্রতিশ্রুতি নয়, আমরা বাস্তব কাজ দেখতে চাই।” ইতোমধ্যে দাবি আদায়ে মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
জনগণের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে—এমন প্রত্যাশায় দিন গুনছেন কুমারখালীবাসী।

ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad300